প্রতিষ্ঠানের ইতিহাস

image-not-found

১৯৭০ সালের ৫ই জানুয়ারি মুরাদনগরের উপজেলার অদূরে বাঙ্গরা থানাধীন ৬নং পূর্ব বাঙ্গরা ইউনিয়নের বিষ্ণুপুর গ্রামে প্রতিষ্ঠিত হয় বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়। প্রতিষ্ঠার পর থেকে এই প্রতিষ্ঠানের ধারাবাহিক সাফল্যে অত্র এলাকায় অনেক সুনাম অর্জন করে। এই প্রতিষ্ঠানটি বর্তমানে কুমিল্লা জেলার অন্যতম শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে পরিনত হয়েছে। এটি প্রতিষ্ঠানের পরিচালকবৃন্দ, শিক্ষকবৃন্দ, অভিভাবকবৃন্দ, শিক্ষার্থীদের ও সর্বোপরি এলাকাবাসীর সমন্বিত প্রচেষ্টার ফল। এলাকাবাসীর সেবার মনোভাব নিয়ে মান সম্পন্ন শিক্ষা প্রসারে এবং কৃতিত্বপূর্ণ ফল অর্জন করে এই প্রতিষ্ঠানটি ইতিমধ্যে একটি স্থান করে নিয়েছে। প্রতিষ্ঠানের সার্বিক ক্ষেত্রে সফলতার জন্য মানুষের মাঝে এক ধরনের চাহিদা সৃষ্টি হওয়ায় তাঁরা তাঁদের কোমলমতি ছেলে মেয়েদের এই প্রতিষ্ঠানে পড়াশুনা করাতে যথেষ্ট আগ্রহী হয়ে উঠেছেন। প্রতিষ্ঠানের সাফল্যে অভিভাকগণের মধ্যে ইতিবাচক প্রভাব ছাড়াও বিভিন্ন পর্যায়ে বেশ প্রসংশনীয় অবদান রাখছে। সবকিছুর মূলে রয়েছে প্রতিষ্ঠানের অটুট শৃঙ্খলা, শিক্ষকগণের একাগ্রতা, শিক্ষক-শিক্ষার্থী ও অভিভাবকগণের মধ্যে সমন্বয় সাধন। শিক্ষার্থীদেরকে উপযুক্তভাবে গড়ে তোলাই আমাদের লক্ষ্য। এই লক্ষ্য বাস্তবায়নের জন্য আমাদের রয়েছে বিরামহীন চেষ্টা ও পরিকল্পনা।

সভাপতির বাণী

image-not-found

সম্মানিত অভিভাবক, সুধী শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং আমার প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম

বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি হিসেবে আমি অত্র প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট চালুকরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের অগ্রযাত্রায় সকলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি ।

শিক্ষা মানুষের জীবনকে আলোকিত করে এবং উন্নত থেকে উন্নততর করতে সাহায্য করে। আমাদের মূল লক্ষ্য কেবল পাঠ্যপুস্তকীয় জ্ঞান নয়, বরং শিক্ষার্থীদের ভেতর নৈতিকতা, মূল্যবোধ এবং দেশপ্রেম জাগ্রত করা । বর্তমান যুগ প্রযুক্তির যুগ। তাই আমরা আমাদের প্রতিষ্ঠানে আধুনিক তথ্য প্রযুক্তি (ICT) ও যুগোপযোগী শিক্ষার সঠিক প্রয়োগ নিশ্চিত করতে বদ্ধপরিকর ।

আমি বিশ্বাস করি, শিক্ষক ও অভিভাবকদের সম্মিলিত প্রচেষ্টায় এই বিদ্যালয়টি মানসম্মত শিক্ষা ও সহ-পাঠ্যক্রমিক কার্যক্রমের মাধ্যমে একটি শ্রেষ্ঠ প্রতিষ্ঠানে পরিণত হবে ।

প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
তোমাদের মেধা ও একাগ্রতার মাধ্যমে নিজেদের দক্ষ জনশক্তি হিসেবে গড়ে তুলে দেশের সেবায় আত্মনিয়োগ করতে হবে ।

আমি বিদ্যালয়ের ধারাবাহিক সাফল্য কামনা করি এবং সকলের সহযোগিতা প্রত্যাশা করছি ।

ধন্যবাদান্তে,
ড. মুহাম্মদ মাহবুবুর রাজ্জাক
সভাপতি, বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়।

প্রধান শিক্ষকের কথা

image-not-found

সম্মানিত অভিভাবক, সুধী শিক্ষক-শিক্ষিকাবৃন্দ এবং আমার প্রিয় শিক্ষার্থীবৃন্দ,
আসসালামু আলাইকুম

বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয় এর প্রধান শিক্ষক হিসেবে আমি অত্র প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইট চালুকরণ এবং শিক্ষা কার্যক্রমের অগ্রযাত্রায় সকলকে শুভেচ্ছা জানাচ্ছি ।

সাধারণ অর্থে জ্ঞান বা দক্ষতা অর্জনই হল শিক্ষা। ব্যাপক অর্থে পদ্ধতিগত জ্ঞান লাভের প্রক্রিয়াকে হলে শিক্ষা বলে। শিক্ষার মূল লক্ষ্য শিক্ষার্থীর সার্বিক বিকাশ সাধন। স্কুল, শিক্ষক এবং শিক্ষার্থীর ঐক্যবদ্ধ কাজের মূল লক্ষ্য হল শিখন। শিখনের মধ্য দিয়ে শিক্ষার্থীর মানবিক উৎকর্ষ ও অন্তর্নিহিত গুণাবলি বিকশিত হয়। শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে এসে শিক্ষার্থী কেবল পাঠ্যপুস্তকের নির্দিষ্ট পাঠ-ই গ্রহণ করে না, পাঠশেষে নির্দিষ্ট জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গিও অর্জন করে। আমাদের বিদ্যালয়ের সার্বিক কার্যক্রম এ লক্ষ্যকে সামনে রেখেই পরিচালিত।

শিক্ষার্থীর সুশিক্ষা লাভের জন্য শিক্ষক-অভিভাবক সম্পর্কটি অতীব গুরুত্বপূর্ণ। শ্রেণির পঠনপাঠনের তদারক, নিয়মিত স্কুলে উপস্থিতি, স্কুলের নিয়মকানুন মেনে চলা ইত্যাদি ক্ষেত্রে অভিভাবক কার্যকর ভূমিকা পালন করে থাকেন। আমাদের মনে রাখতে হবে, শিক্ষার্থী শুধু স্কুলেই শিক্ষা লাভ করে না, গৃহ পরিবেশে, সামাজিক পরিবেশেও সে শেখে, জ্ঞান ও অভিজ্ঞতা অর্জন করে।

আমরা মুক্তবুদ্ধিসম্পন্ন, যুক্তিবাদী, মানবতাবোধসম্পন্ন আলোকিত মানুষ চাই। ছাত্র-ছাত্রীরা দেশ ও জাতির ভবিষ্যৎ। সুশিক্ষা লাভের মধ্য দিয়ে ভবিষ্যৎ যোগ্য নাগরিক হিসেবে তারা নিজেদের গড়ে তুলবে এটাই কামনা। তাছাড়া প্রজন্ম থেকে প্রজন্মান্তর আমাদের শ্লোগান হওয়া উচিত জ্ঞানই শক্তি, সু-শিক্ষাই আলো।

প্রধান শিক্ষক
বিষ্ণুপুর উচ্চ বিদ্যালয়
ডাকঘর: প্রাকগাজীপুর, মুরাদনগর, কুমিল্লা।